জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে কাজ করবো তবে তা যেন হয় মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্কের মাধ্যমে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর আলফালাহ মিলোনায়াতনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা ও মহানগরী সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক লস্কর মো. তসলিম।
শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় সংসদে তেল বেড়ে যাওয়ায় সারাদেশে আজ তেলের সংকট। একজন পরিবহন শ্রমিক দৈনিক কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ ঘন্টা অপেক্ষা করে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকার তেল পায়। শ্রমিকদের সারাদিন তেলের জন্যই সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে তাদের উপার্জন কমে যাচ্ছে। ওদিকে পাম্পগুলো বলছে, আমরা আগের অর্ধেক তেল পাই। শ্রমিকদের পরিবারগুলো তাদের আয়কমে যাওয়ায় কষ্টের পরিসীমা আরো বেড়েছে। অথচ এ বিষয়ে সংসদে কথা বলতে চাইলে বলতে দেওয়া হয় না।
জাতীয় নির্বাচনে পরিকল্পিতভাবে ১১ দলীয় ঐক্যকে হারানোর ইঙ্গিত করে বলেন কেউ যদি জনগণকে ধোঁকা দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষতায় গিয়ে থাকেন, তাহলে তারা নিজেদেরকেই ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছেন। তারা দেশের কল্যাণ চায় না, তাদের মনে রাখতে হবে জনগণ তাদের একই কাজ বারবার করতে দেবে না। সামনে জনগণ এগুলোর প্রতিরোধ করবে।
তিনি আরো বলেন নতুন ব্যাংক আইনের মাধ্যমে ব্যাংক ডাকাতদের হাতে জনগণের আমানতের (টাকা) তুলে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই, আমরা এর প্রতিরোধ করবো।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর আলফালাহ মিলোনায়াতনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা ও মহানগরী সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক লস্কর মো. তসলিম।
শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় সংসদে তেল বেড়ে যাওয়ায় সারাদেশে আজ তেলের সংকট। একজন পরিবহন শ্রমিক দৈনিক কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ ঘন্টা অপেক্ষা করে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকার তেল পায়। শ্রমিকদের সারাদিন তেলের জন্যই সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে তাদের উপার্জন কমে যাচ্ছে। ওদিকে পাম্পগুলো বলছে, আমরা আগের অর্ধেক তেল পাই। শ্রমিকদের পরিবারগুলো তাদের আয়কমে যাওয়ায় কষ্টের পরিসীমা আরো বেড়েছে। অথচ এ বিষয়ে সংসদে কথা বলতে চাইলে বলতে দেওয়া হয় না।
জাতীয় নির্বাচনে পরিকল্পিতভাবে ১১ দলীয় ঐক্যকে হারানোর ইঙ্গিত করে বলেন কেউ যদি জনগণকে ধোঁকা দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষতায় গিয়ে থাকেন, তাহলে তারা নিজেদেরকেই ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছেন। তারা দেশের কল্যাণ চায় না, তাদের মনে রাখতে হবে জনগণ তাদের একই কাজ বারবার করতে দেবে না। সামনে জনগণ এগুলোর প্রতিরোধ করবে।
তিনি আরো বলেন নতুন ব্যাংক আইনের মাধ্যমে ব্যাংক ডাকাতদের হাতে জনগণের আমানতের (টাকা) তুলে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই, আমরা এর প্রতিরোধ করবো।