ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী সভা শেষে এক ভিন্ন দৃশ্যে নজর কাড়লেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হেলিপ্যাডের দিকে যাওয়ার পথে হঠাৎই থেমে যায় তার গাড়িবহর। এরপর গাড়ি থেকে নেমে ধীর পায়ে এগিয়ে যান কলেজ মোড় এলাকার একটি ছোট ঝালমুড়ির দোকানের দিকে।
দোকানে গিয়ে তিনি বিক্রেতাকে বলেন, “ভাই, ঝালমুড়ি খাওয়ান তো।” এমন প্রস্তাবে কিছুটা বিস্মিত হয়ে পড়েন বিক্রেতা বিক্রম সাউ। এরপর ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনতে চান প্রধানমন্ত্রী। বিক্রম টাকা নিতে ইতস্তত করলেও মোদি তা নিতে অনুরোধ করেন এবং নিজেই পকেট থেকে টাকা বের করে দেন।
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝালমুড়ি তৈরির সময় বিক্রম প্রথমেই জানতে চান, “ঝাল খাবেন?” উত্তরে মোদি বলেন, “হ্যাঁ।” এরপর প্রশ্ন আসে, “পেঁয়াজ?” মোদি হিন্দিতে জবাব দেন, “পেঁয়াজও খাই।” সঙ্গে হালকা রসিকতা করে বলেন, “স্রেফ দিমাগ নহি খাতে হ্যায়”—অর্থাৎ শুধু ‘মাথা’ খান না। এ সময় তার স্বভাবসিদ্ধ হাসিও দেখা যায়।
ঝালমুড়ি তৈরি হলে তা হাতে নিয়ে নিজে খান এবং আশপাশে থাকা লোকজনকেও দেন। রবিবারের ব্যস্ত চারটি কর্মসূচির মাঝেই এভাবে ঝালমুড়ি খেয়ে ছোট্ট এক জনসংযোগ করেন তিনি, যা অনেকেই ‘মুড়ি পে চর্চা’ বলে উল্লেখ করছেন। পরে এই মুহূর্তের ছবিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন মোদি।
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কণিকা মাহাতো ও কল্যাণী মাহাতো জানান, এমন দৃশ্য তারা কখনও কল্পনাও করেননি। তাদের ভাষায়, দেশের প্রধানমন্ত্রী এত সহজভাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে ঝালমুড়ি খাবেন—এটা সত্যিই অবাক করার মতো।
ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম জানান, তার বাড়ি বিহারের গয়া এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়গ্রামের কলেজ মোড়ে দোকান চালাচ্ছেন তিনি। এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিক্রম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রথমে তার নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা জানতে চান, এরপর ঝালমুড়ি বানাতে বলেন। পরে সেই ঝালমুড়ি নিজে খান এবং অন্যদের মধ্যেও বিতরণ করেন।
দোকানে গিয়ে তিনি বিক্রেতাকে বলেন, “ভাই, ঝালমুড়ি খাওয়ান তো।” এমন প্রস্তাবে কিছুটা বিস্মিত হয়ে পড়েন বিক্রেতা বিক্রম সাউ। এরপর ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনতে চান প্রধানমন্ত্রী। বিক্রম টাকা নিতে ইতস্তত করলেও মোদি তা নিতে অনুরোধ করেন এবং নিজেই পকেট থেকে টাকা বের করে দেন।
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝালমুড়ি তৈরির সময় বিক্রম প্রথমেই জানতে চান, “ঝাল খাবেন?” উত্তরে মোদি বলেন, “হ্যাঁ।” এরপর প্রশ্ন আসে, “পেঁয়াজ?” মোদি হিন্দিতে জবাব দেন, “পেঁয়াজও খাই।” সঙ্গে হালকা রসিকতা করে বলেন, “স্রেফ দিমাগ নহি খাতে হ্যায়”—অর্থাৎ শুধু ‘মাথা’ খান না। এ সময় তার স্বভাবসিদ্ধ হাসিও দেখা যায়।
ঝালমুড়ি তৈরি হলে তা হাতে নিয়ে নিজে খান এবং আশপাশে থাকা লোকজনকেও দেন। রবিবারের ব্যস্ত চারটি কর্মসূচির মাঝেই এভাবে ঝালমুড়ি খেয়ে ছোট্ট এক জনসংযোগ করেন তিনি, যা অনেকেই ‘মুড়ি পে চর্চা’ বলে উল্লেখ করছেন। পরে এই মুহূর্তের ছবিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন মোদি।
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কণিকা মাহাতো ও কল্যাণী মাহাতো জানান, এমন দৃশ্য তারা কখনও কল্পনাও করেননি। তাদের ভাষায়, দেশের প্রধানমন্ত্রী এত সহজভাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে ঝালমুড়ি খাবেন—এটা সত্যিই অবাক করার মতো।
ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম জানান, তার বাড়ি বিহারের গয়া এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়গ্রামের কলেজ মোড়ে দোকান চালাচ্ছেন তিনি। এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিক্রম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রথমে তার নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা জানতে চান, এরপর ঝালমুড়ি বানাতে বলেন। পরে সেই ঝালমুড়ি নিজে খান এবং অন্যদের মধ্যেও বিতরণ করেন।