১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

আওয়ামী লীগ দুর্নীতিতে বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন করেছিল- রাষ্ট্রপতি

ঘরের কথা পরে জানলো কেমনে?

আপলোড সময় : ১৩-০৩-২০২৬
ঘরের কথা পরে জানলো কেমনে?

// আহমেদ সোহেল বাপ্পি // 


রাষ্ট্রপতির এই এই স্বীকারোক্তি বিদ্যমান রাজনীতির আবহাওয়ায় নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টায হিসেবে আপাতত দৃষ্টিতে প্রতীয়মান।
নৈতিকতার জায়গা থেকে প্রশ্ন উঠতেই পারে রাষ্ট্রপতির এই স্বীকারোক্তি এখনই কেন? গত ১৫ বছর ধরে যে সরকার কাজটি করতেছিল সেই সরকারের অত্যন্ত সুবিধাজনক জায়গায় রাষ্ট্রপতি নিজেও ছিলেন, সাংবিধানিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি তখন কেন এর বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ নিলেন না? দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে এ জাতীয় বক্তব্য। নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রের ন্যায়পরায়ণ জনগণকে বিস্মৃত করেছে,


দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন এবং দুর্নীতি সামাজিক অবক্ষয় এত ভয়ংকর পর্যায়ে বাংলাদেশের সমাজে পৌঁছে গেছে যে, সভ্য সমাজের ভিতকে নাড়িয়ে দিয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশে মানুষের আয় রোজগার তেমন কোন উপায় নেই, কিন্তু বিলাসী পণ্যের ছড়াছড়ি চারদিকে, বিলাসীতাঁর লোভ সংবরণ করতে না পেরে অনেকেই অনৈতিক রাস্তা অবলম্বন করতেছেন, এমনই প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতিতে সমাজের সকল শ্রেণি এই সমস্যার প্রভাবে প্রভাবিত, সরকারি আমলা অবসরপ্রাপ্ত, ডাক্তার ,শিক্ষক ,মন্ত্রী ,এমপি ব্য় বৃদ্ধ বয়সে প্রায় সময় তাদেরকে নিজ পরিবারের পাপের কামাইয়ে লালিত পালিত সন্তানদের দ্বারা অপেক্ষিত হতে দেখা যায়, কোন কোন ক্ষেত্রে এটা কারো কারো কৃতকর্মের প্রকৃতির বিধান ভুত ফল হিসাবে বিবেচিত হয়, বিশেষ করে সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এবং আমলা পর্যায়ে নির্বাহী বিভাগে কাজ করেছেন ষাটের উর্ধ্বে বয়স এমন লোকগুলোর মাঝে যে বিষয়টা সাম্প্রতিকালে খুব বেশি লক্ষণীয় সেটা হচ্ছে তাদের ছেলে সন্তানরা আর তাদের ভরণ পোষণ করতে চান না, এটা তাদের উপর এক ধরনের তাদের পূর্ববর্তী কৃতকর্মের ফল, এমতাবস্থায় এই সমস্ত বয়োবৃদ্ধ মানুষগুলি রাষ্ট্রের দুর্নীতিগ্রস্ত শাসন ব্যবস্থার উপর ঝুঁকে পড়ে, তারা তাদের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে সুশিলের বেশে দালালে পরিণত হয়, গত ১৫ বছরে এমন অনেককেই দেখা গেছে যারা সুশিলের বেশে কখনো মুক্তিযোদ্ধা থেকে রাজাকার এ পরিণত হয়েছেন আবার কখন রাজাকার থেকে মুক্তিযোদ্ধার পরিণত হয়েছেন, তাদের নৈতিক অবক্ষয়ের নমুনা দেখে বিবেকবান যে কোন মানুষই বিস্মিত হবেন, এই বিষয়টা নিয়ে আমার দীর্ঘদিনের শুভাকাঙ্ক্ষী শ্রদ্ধাভাজন এক বড় ভাই অনুরোধ করেছিলেন কিছু লিখতে, তাই অনিচ্ছা সত্য লিখতে হলো এই নির্মম সত্য, এই নির্মম নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত জঘন্য কর্মকান্ডে ধারাবাহিকতায় আজকে সর্বশেষ যোগ হল আওয়ামী ঘরানার সাবেক এক শীর্ষ স্থানীয় আমলার নাম
ঘটনা ক্রমে মনে পড়ে যায় প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এক মন্তব্য বলেছিলেন আমাদের রাজনীতির অঙ্গনে সুশীল নামের ভালো কিছু নাপিতের দৌরাত্ম চলছে 



বিশ্লেষক:- 

মানবাধিকার কর্মী 
গবেষক পর্যবেক্ষক (সীমান্তহীন গণতন্ত্র)


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ