১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ১৬-০৩-২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, বাংলাদেশ একসময় কার্যত নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো সচল ছিল। নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন এবং কৃষিক্ষেত্রে নদী ছিল বিশাল নিয়ামক শক্তি। তার পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ, জমির উর্বরা সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানি প্রবাহ সঠিক থাকার কারণে ঘন ঘন বন্যা এবং এই জনিত দুর্ভোগের প্রাদুর্ভাব কমই হতো।

কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে একদিকে ফারাক্কা বাঁধের অভিশাপ অন্যদিকে প্রধান প্রধান নদীগুলো সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী, খাল এবং বিল ভরাট হওয়ার ফলে একসময়ের স্রোতস্বিনী নদীগুলো এখন ভরা মৌসুমে পানি ধারণ করতে পারে না। ফলে তা অকাল বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শুকনো মৌসুমে মরুভূমির রূপ ধারণ করে। বর্ষায় পানির প্রবাহ বিঘ্নিত হয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি প্রধান প্রধান শহর ও নগরগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। আবার শুকনো মৌসুমে যেখানে নৌ-চলাচল ও কৃষির জন্য পানির প্রয়োজন হয় সেখানে ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করার মত পানি থাকে না।

অতএব দেশ বাঁচাতে হলে প্রধান প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং সম্পন্ন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত হবে দেশ বাঁচানোর স্বার্থে নদ-নদী গুলোর জীবন ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। মনে রাখতে হবে, অতীতে ড্রেজিংয়ের নামে, নদী শাসনের নামে, নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও তার কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি।

সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সাথে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সকল কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে।

এমনকি খাল খননের সুফল তখনই পাওয়া যাবে- যখন নদীগুলো প্রাণ ফিরে পাবে, নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় খাল খনন থেকেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। এদিন এক যোগে সারাদেশে ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুরের কাহারোলে নিজের হাতে খাল কেটে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। 


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ