ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর নির্বাচিতদের কে শপথ পড়াবেন এটা নিয়ে বিতর্ক তৈরী হয়েছে। তবে এর একটা সমাধান বের করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন,
রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো ব্যক্তি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, “এখানে দুটি পথ রয়েছে। প্রথমত, সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের শপথ পাঠ করানোর কোনো বিধান নেই। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে যদি শপথ গ্রহণ করতে হয়, তবে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মনোনীত একজন ব্যক্তি এই প্রক্রিয়া পরিচালনা করবেন। উদাহরণস্বরূপ, বর্তমান প্রধান বিচারপতি যদি সম্মত হন, তবে তিনি শপথ বাক্য পাঠ করাতে পারেন।”
আসিফ নজরুল আরও স্পষ্ট করেন যে, যদি কোনো কারণে তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করানো সম্ভব না হয়, তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পূর্ণ কর্তৃত্ব পাবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো ব্যক্তি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, “এখানে দুটি পথ রয়েছে। প্রথমত, সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের শপথ পাঠ করানোর কোনো বিধান নেই। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে যদি শপথ গ্রহণ করতে হয়, তবে প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মনোনীত একজন ব্যক্তি এই প্রক্রিয়া পরিচালনা করবেন। উদাহরণস্বরূপ, বর্তমান প্রধান বিচারপতি যদি সম্মত হন, তবে তিনি শপথ বাক্য পাঠ করাতে পারেন।”
আসিফ নজরুল আরও স্পষ্ট করেন যে, যদি কোনো কারণে তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করানো সম্ভব না হয়, তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পূর্ণ কর্তৃত্ব পাবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।