বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে দূতাবাস কর্মীদের সাময়িকভাবে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাজ্য।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বর্তমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বেশ কয়েকটি দেশের দেওয়া সতর্কবার্তার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য এ পদক্ষেপ নিল।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রদপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের রাজধানীতে তাদের দূতাবাস দূর থেকে কাজ চালিয়ে যাবে।
চীন, ভারত, কানাডাসহ বেশ কিছু সংখ্যক দেশও তাদের নাগরিকদেরকে যত দ্রুত সম্ভব ইরান ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় কোনও চুক্তি না হলে দেশটিতে সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন।
এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি অঞ্চলে বিশাল সামরিক শক্তিও বৃদ্ধি করেছেন ট্রাম্প। ২০০৩ সালে হওয়া ইরাক যুদ্ধের পর এবারই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সবচেয়ে বড় সেনা সমাবেশ ঘটিয়েছে।
দুটি বিমানবাহী রণতরী, অসংখ্য যুদ্ধবিমান ও জাহাজের পাশাপাশি বিপুল সামরিক সরঞ্জাম ইরানের আশপাশে এনে রেখেছে তারা। মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্যাপক নড়াচড়া দেখা যাচ্ছে।
এসব কারণে ইরানে হামলা অবধারিত বলে অনেক বিশ্লেষক ধরে নিয়েছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনিভায় তৃতীয় দফা পারমাণবিক আলোচনায় বসে।
আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ অর্জন করেছেন বলে মধ্যস্থতাকারী ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করলেও যুদ্ধ এড়াতে সক্ষম এমন কোনও চুক্তিতে দুই পক্ষ পৌঁছাতে পারছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট হওয়া যায়নি।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি বলেছেন, দেশে ফিরে নিজেদের মধ্যে কথাবার্তার পর দুই পক্ষেরই ফের আলোচনায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে এবং ভিয়েনায় আগামী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হবে।
পরের বৈঠক এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে হবে বলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাকচি জানিয়েছেন। তেহরান-ওয়াশিংটন আরও আলোচনার এ সম্ভাবনা ইরানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হামলার ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বর্তমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বেশ কয়েকটি দেশের দেওয়া সতর্কবার্তার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য এ পদক্ষেপ নিল।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রদপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের রাজধানীতে তাদের দূতাবাস দূর থেকে কাজ চালিয়ে যাবে।
চীন, ভারত, কানাডাসহ বেশ কিছু সংখ্যক দেশও তাদের নাগরিকদেরকে যত দ্রুত সম্ভব ইরান ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় কোনও চুক্তি না হলে দেশটিতে সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন।
এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি অঞ্চলে বিশাল সামরিক শক্তিও বৃদ্ধি করেছেন ট্রাম্প। ২০০৩ সালে হওয়া ইরাক যুদ্ধের পর এবারই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সবচেয়ে বড় সেনা সমাবেশ ঘটিয়েছে।
দুটি বিমানবাহী রণতরী, অসংখ্য যুদ্ধবিমান ও জাহাজের পাশাপাশি বিপুল সামরিক সরঞ্জাম ইরানের আশপাশে এনে রেখেছে তারা। মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্যাপক নড়াচড়া দেখা যাচ্ছে।
এসব কারণে ইরানে হামলা অবধারিত বলে অনেক বিশ্লেষক ধরে নিয়েছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনিভায় তৃতীয় দফা পারমাণবিক আলোচনায় বসে।
আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ অর্জন করেছেন বলে মধ্যস্থতাকারী ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করলেও যুদ্ধ এড়াতে সক্ষম এমন কোনও চুক্তিতে দুই পক্ষ পৌঁছাতে পারছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট হওয়া যায়নি।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি বলেছেন, দেশে ফিরে নিজেদের মধ্যে কথাবার্তার পর দুই পক্ষেরই ফের আলোচনায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে এবং ভিয়েনায় আগামী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হবে।
পরের বৈঠক এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে হবে বলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাকচি জানিয়েছেন। তেহরান-ওয়াশিংটন আরও আলোচনার এ সম্ভাবনা ইরানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হামলার ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।