রাজধানীবাসীর নাগরিক দুর্ভোগ লাঘব ও আধুনিক ঢাকা গড়ার প্রত্যয়ে এক অভিনব ডিজিটাল পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বারিধারায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘নাগরিক সেবা’ নামক একটি বিশেষ অ্যাপের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
রাজনৈতিক দল হিসেবে কেবল মাঠের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে, প্রযুক্তির সহায়তায় জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতেই এই ‘যুগান্তকারী’ উদ্যোগ বলে দাবি করছে দলটি।
অ্যাপটির উদ্বোধনী বক্তব্যে সেলিম উদ্দিন বর্তমান নগর ব্যবস্থাপনার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, দুর্নীতি ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে মশার উপদ্রব থেকে শুরু করে জলাবদ্ধতা আর যানজটে নগরবাসীর নাভিশ্বাস উঠেছে। এমতাবস্থায় কেবল অভিযোগ নয়, সরাসরি সমাধানের পথ খুঁজতেই এই অ্যাপের যাত্রা। তিনি জানান, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নগরবাসী তাদের সমস্যাগুলো সরাসরি দলের স্বেচ্ছাসেবকদের জানাতে পারবেন এবং দলীয় সামর্থ্য অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জামায়াত নেতা আরও উল্লেখ করেন, তারা ইতোমধ্যেই ‘মোবাইল হাসপাতাল’ সদৃশ স্বাস্থ্যসেবা, স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা ও কর্জে হাসানার মতো জনকল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করছেন, যা এখন এই অ্যাপের মাধ্যমে আরও গতিশীল হবে।
আগামী দিনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নেতৃত্ব নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ডিএনসিসিতে এখন এমন একজন অভিভাবক প্রয়োজন যিনি রাত জেগে নগরী পাহারা দেবেন। বিগত নির্বাচনে দলটির প্রার্থীদের সাফল্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এই ডিজিটাল রূপান্তর একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, যারা এই অ্যাপটিকে আধুনিক ও মানবিক ঢাকা গড়ার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন।
রাজনৈতিক দল হিসেবে কেবল মাঠের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে, প্রযুক্তির সহায়তায় জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতেই এই ‘যুগান্তকারী’ উদ্যোগ বলে দাবি করছে দলটি।
অ্যাপটির উদ্বোধনী বক্তব্যে সেলিম উদ্দিন বর্তমান নগর ব্যবস্থাপনার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, দুর্নীতি ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে মশার উপদ্রব থেকে শুরু করে জলাবদ্ধতা আর যানজটে নগরবাসীর নাভিশ্বাস উঠেছে। এমতাবস্থায় কেবল অভিযোগ নয়, সরাসরি সমাধানের পথ খুঁজতেই এই অ্যাপের যাত্রা। তিনি জানান, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নগরবাসী তাদের সমস্যাগুলো সরাসরি দলের স্বেচ্ছাসেবকদের জানাতে পারবেন এবং দলীয় সামর্থ্য অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জামায়াত নেতা আরও উল্লেখ করেন, তারা ইতোমধ্যেই ‘মোবাইল হাসপাতাল’ সদৃশ স্বাস্থ্যসেবা, স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা ও কর্জে হাসানার মতো জনকল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করছেন, যা এখন এই অ্যাপের মাধ্যমে আরও গতিশীল হবে।
আগামী দিনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নেতৃত্ব নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ডিএনসিসিতে এখন এমন একজন অভিভাবক প্রয়োজন যিনি রাত জেগে নগরী পাহারা দেবেন। বিগত নির্বাচনে দলটির প্রার্থীদের সাফল্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এই ডিজিটাল রূপান্তর একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, যারা এই অ্যাপটিকে আধুনিক ও মানবিক ঢাকা গড়ার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন।