​দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তপ্ত আবহাওয়ায় স্বস্তির বার্তা

আপলোড সময় : ১৩-০৩-২০২৬ , আপডেট সময় : ১৩-০৩-২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তপ্ত আবহাওয়ায় স্বস্তির বার্তা নিয়ে দেশে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বছরের প্রথম প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’।

আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত থেকেই দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিয়ে এই বৃষ্টিবলয়টি সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, এই বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে দেশের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বৃষ্টিবলয়টি মূলত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বেশি প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ রাতে সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ দিয়ে এটি দেশে প্রবেশ করে আগামী ১৮ মার্চ উপকূলীয় এলাকা দিয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারে।

বিডব্লিউওটির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ‘গোধূলি’ বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ সম্পূর্ণভাবে, ঢাকা বিভাগের উত্তর-পূর্বাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তরাংশ এবং রংপুর বিভাগের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও ঝড়ের সক্রিয়তা বেশি থাকবে। এসব এলাকায় কয়েক দফায় কালবৈশাখী ঝড় এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা ও রংপুর বিভাগের বাকি অংশ, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের উত্তরাঞ্চলে মাঝারি ধরনের সক্রিয়তা দেখা যেতে পারে। তবে বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা ও চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকতে পারে।

বৃষ্টিবলয় চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাত এবং বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় উত্তর বঙ্গোপসাগর সামান্য উত্তাল থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কিছুটা পাহাড় ধসের ঝুঁকি থাকতে পারে। তবে এই বৃষ্টিবলয়ের কারণে বন্যার আশঙ্কা নেই।

চৈত্র মাসের এই বৃষ্টিপাত দেশের কৃষি খাতের জন্য উপকারী হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিডব্লিউওটির মতে, এই বৃষ্টিতে দেশের প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ এলাকার সেচের চাহিদা পূরণ হতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানায়, ১৩ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত ‘গোধূলি’ বৃষ্টিবলয়টি সক্রিয় থাকবে এবং ১৬ মার্চ পর্যন্ত এর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে।

সম্পাদকীয় :

Editor and Publisher-    Muhammad Nurul Islam

Executive Editor-  Kazi Habibur Rahman.  Managing Editor -  Eng. Mohammed Nazim Uddin
Head Office: Paris, State: Île-de-France
Dhaka office : House No-421 (1st Floor), Road No- 30, New DOHS, Mohakhali, Dhaka. Bangladesh.

Email: editor.eurobarta@gmail.com.

www.eurobarta.com সকল অধিকার সংরক্ষিত 

অফিস :