ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, সংসদে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য দল থেকে পদত্যাগ করেছি। বিরোধী দলও সংসদে যথেষ্ট সুযোগ পাবে। স্বৈরাচার হটানোর আন্দোলনে আমরা একই সঙ্গে ছিলাম। তাদের প্রতি আমাদের যথেষ্ট সহনশীলতা রয়েছে। সংসদ পরিচালনায় আমার ভূমিকা হচ্ছে ক্রিকেট খেলায় আম্পায়ারের মত নিরপেক্ষ।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত এ সরকার মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যসমূহ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার বাস্তবায়ন ও জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণের মাধ্যমে একটি সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করবে বলে বিশ্বাস করি এবং সংসদ হবে তার কেন্দ্রবিন্দু।
আজ (শুক্রবার) সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় হাফিজ উদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানান, জাতীয় স্মৃতিসৌধ পবিত্রতম একটি স্থান এবং যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ধারক ও বাহক। এখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান বোধ করছি ও অনুপ্রাণিত হয়েছি।
স্পিকার গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
তিনি বলেন, আমি নিজেও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলাম এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অধীনে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করার সৌভাগ্য হয়েছে। যুদ্ধে আমি আহত হয়েছিলাম।
গত ১৭ বছর বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মী, ছাত্র, অভিভাবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এবং স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন তাদের অবদানও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন।
স্পিকারের পর জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন শ্রদ্ধা জানান।
পরে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত এ সরকার মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্যসমূহ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার বাস্তবায়ন ও জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণের মাধ্যমে একটি সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করবে বলে বিশ্বাস করি এবং সংসদ হবে তার কেন্দ্রবিন্দু।
আজ (শুক্রবার) সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় হাফিজ উদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানান, জাতীয় স্মৃতিসৌধ পবিত্রতম একটি স্থান এবং যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ধারক ও বাহক। এখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান বোধ করছি ও অনুপ্রাণিত হয়েছি।
স্পিকার গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
তিনি বলেন, আমি নিজেও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলাম এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অধীনে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করার সৌভাগ্য হয়েছে। যুদ্ধে আমি আহত হয়েছিলাম।
গত ১৭ বছর বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মী, ছাত্র, অভিভাবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এবং স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন তাদের অবদানও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন।
স্পিকারের পর জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন শ্রদ্ধা জানান।
পরে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।