ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিয়ন্ত্রন হারিয়েছেন ট্রাম্প- মার্কিন সিনেটর

আপলোড সময় : ১৫-০৩-২০২৬ , আপডেট সময় : ১৫-০৩-২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যকে এক দ্রুত অবনতিশীল সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছেন এবং এই সংঘাতের ওপর তিনি ‘নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় এক মার্কিন সিনেটর। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ ধারাবাহিকভাবে দেওয়া কয়েকটি পোস্টে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস মারফি। ক্রিস মারফি বলেন, এটি এখন দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে ট্রাম্প এই যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন। ইরানের পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা সম্পর্কে তিনি মারাত্মক ভুল ধারণা পোষণ করেছিলেন। পুরো অঞ্চল এখন জ্বলছে। সিনেটর ক্রিস মারফি। ফাইল ছবি: এপি মার্কিন এই সিনেটরের মতে, এই যুদ্ধ ইতোমধ্যে অঞ্চলটিকে একটি সহিংসতার চক্রে নিক্ষেপ করেছে। তিনি মূলত তিনটি প্রধান সংকটের কথা উল্লেখ করেছেন। মারফি জানান, প্রথম সংকটটি হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে, যেখান দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশের বেশি তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়। ওয়াশিংটন তেহরানের এই পথ বন্ধ করার ক্ষমতাকে খাটো করে দেখেছিল। তিনি বলেন, ট্রাম্প বিশ্বাস করেছিলেন ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করবে না, কিন্তু তিনি ভুল ছিলেন। এখন তেলের দাম আকাশচুম্বী। তিনি আরও সতর্ক করেন যে, ইরানের ড্রোন, স্পিডবোট এবং সমুদ্র মাইন এই জলপথকে অনিরাপদ করে তুলেছে এবং এগুলো নির্মূল করা অসম্ভব। দ্বিতীয় সংকট হিসেবে মারফি আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সস্তা ও অস্ত্রধারী ড্রোন দিয়ে ইরান অনির্দিষ্টকাল ধরে অঞ্চলের তেলের ডিপোগুলোতে আঘাত করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে ট্রাম্প কোনও শিক্ষা নেননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুদ্ধ যে বদলে গেছে, ট্রাম্প সেদিকে নজর দেননি। তিনি চরম ভুল করেছেন। ইতোমধ্যে যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ইসরায়েল ওয়াশিংটনকে জানিয়েছে যে, তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের মজুত কমে আসছে। মারফি সতর্ক করেন যে, এই সংঘাত ভৌগোলিকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। লেবানন ও ইরাক থেকে ইসরায়েল ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হচ্ছে। ইয়েমেনের হুথি এবং সিরিয়াও এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে মারফি এই যুদ্ধ শেষ করার কোনও পরিকল্পনা না থাকাকে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, মার্কিন স্থল অভিযান হবে মহাপ্রলয়ের মতো, যেখানে হাজার হাজার মার্কিনির মৃত্যু হতে পারে। আবার মিথ্যা বিজয় ঘোষণা করে পিছু হটলেও ইরান পুনরায় শক্তিশালী হয়ে উঠবে। প্রশাসনের প্রতি যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবকিছুই আগে থেকে অনুমেয় ছিল। এই কারণেই আগের কোনও প্রেসিডেন্ট এমন বোকামি করে যুদ্ধ শুরু করেননি। বড় বিপর্যয় এড়াতে ট্রাম্পের উচিত এখনই এই যুদ্ধ শেষ করা। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

সম্পাদকীয় :

Editor and Publisher-    Muhammad Nurul Islam

Executive Editor-  Kazi Habibur Rahman.  Managing Editor -  Eng. Mohammed Nazim Uddin
Head Office: Paris, State: Île-de-France
Dhaka office : House No-421 (1st Floor), Road No- 30, New DOHS, Mohakhali, Dhaka. Bangladesh.

Email: editor.eurobarta@gmail.com.

www.eurobarta.com সকল অধিকার সংরক্ষিত 

অফিস :