পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের এই আনন্দ বার্তাকে শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
শুভেচ্ছা বার্তায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতি এমন এক সময়ে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছে যখন দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে নতুন সরকার গঠন করেছে।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, মানুষ এখন ভয়ভীতিহীন পরিবেশে কথা বলতে পারবে এবং জানমালের নিরাপত্তা পাবে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ এই সনদের পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। এটি বাস্তবায়নে সরকারের কোনো প্রকার টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না।
জুলাই বিপ্লবে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তিনি আরও বলেন, ঈদের এই দিনে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব ভেদাভেদ ভুলে আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও সাম্যের মহাসেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে।
সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ সার্থক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের এই আনন্দ বার্তাকে শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
শুভেচ্ছা বার্তায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতি এমন এক সময়ে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছে যখন দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে নতুন সরকার গঠন করেছে।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, মানুষ এখন ভয়ভীতিহীন পরিবেশে কথা বলতে পারবে এবং জানমালের নিরাপত্তা পাবে। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ এই সনদের পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। এটি বাস্তবায়নে সরকারের কোনো প্রকার টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না।
জুলাই বিপ্লবে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তিনি আরও বলেন, ঈদের এই দিনে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব ভেদাভেদ ভুলে আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও সাম্যের মহাসেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে।
সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ সার্থক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।