ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের জ্বালানি তেল এবং খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের তেলসম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তার “সবচেয়ে পছন্দের কাজ” হতে পারে। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ দখলে নেওয়ার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজনে সেখানে সাময়িক অবস্থানও করা হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, খারগ দ্বীপে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল এবং যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সহজেই সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে।
ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির সঙ্গেও এর তুলনা টানেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার জ্বালানি খাত নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার মতো নীতিই ইরানের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হতে পারে। উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের তেলসম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া তার “সবচেয়ে পছন্দের কাজ” হতে পারে। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ দখলে নেওয়ার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজনে সেখানে সাময়িক অবস্থানও করা হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, খারগ দ্বীপে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল এবং যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সহজেই সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে।
ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির সঙ্গেও এর তুলনা টানেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার জ্বালানি খাত নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার মতো নীতিই ইরানের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হতে পারে। উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।