ফ্রান্সে তীব্র জ্বালানি সংকট: ইস্টার ছুটিতে ভোগান্তির আশঙ্কা

আপলোড সময় : ০৪-০৪-২০২৬ , আপডেট সময় : ০৪-০৪-২০২৬

ফ্রান্সের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দেশটির সরকারি মনিটরিং সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় ১৬% ফিলিং স্টেশনে অন্তত এক ধরনের জ্বালানির (পেট্রোল বা ডিজেল) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আজ থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ ইস্টার ছুটির চার দিনে পরিস্থিতি আরও নাজুক হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত কয়েকদিন ধরেই ফ্রান্সে জ্বালানি সরবরাহ লাইনে বিঘ্ন ঘটছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে পাম্পগুলোতে ভিড় জমানোর প্রবণতা দেখা দিয়েছে। 'প্যানিক বায়িং' বা আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল মজুদের ফলে পাম্পগুলোর মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে, যা সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।

পরিসংখ্যান একনজরে: আক্রান্ত পাম্প: ১৬% (সারাদেশে)। প্রধান সমস্যা: পেট্রোল ও ডিজেলের অসম সরবরাহ। বড় শহরের উপকণ্ঠ এবং হাইওয়ে সংলগ্ন ফিলিং স্টেশন।

আজ শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দেশজুড়ে চার দিনের ইস্টার ছুটি শুরু হচ্ছে। এই সময়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা: লরি চালকদের অভাব: তেল সরবরাহকারী লরি চালকদের একটি বড় অংশ ছুটিতে থাকায় রিফিল প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে। সাধারণত ফ্রান্সে ছুটির দিনগুলোতে ভারী মালবাহী ট্রাক চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ থাকে। বিশেষ অনুমতি ছাড়া ডিপো থেকে পাম্পে তেল পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়বে। ছুটির কারণে পর্যটন ও পারিবারিক সফরের সংখ্যা কয়েক গুণ বাড়বে। ফলে সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ এবং জ্বালানির চাহিদা—উভয়ই সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বড় ধরনের স্থবিরতা এড়াতে প্রশাসন ও মনিটরিং সংস্থা বেশ কিছু জরুরি পদক্ষেপের কথা ভাবছে: সাধারণ জনগণকে অপ্রয়োজনে অতিরিক্ত তেল মজুদ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংস্থাটির মতে, সবাই স্বাভাবিক পরিমাণে জ্বালানি সংগ্রহ করলে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব।

জরুরি ভিত্তিতে সংকট মেটাতে কিছু নির্দিষ্ট রুটে তেলবাহী লরি চলাচলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। বড় শহরগুলোর প্রবেশপথ এবং হাইওয়ে পাম্পগুলোতে দ্রুত তেল পৌঁছানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। "সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে কাজ চলছে, তবে ছুটির চার দিন আমাদের জন্য বড় পরীক্ষা। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।"

— জ্বালানি সরবরাহ মনিটরিং সংস্থা

সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, যদি সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক না করা যায়, তবে ১৬ শতাংশের এই ঘাটতি আগামী কয়েক দিনে আরও বৃদ্ধি পেয়ে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাতে পারে। 

সম্পাদকীয় :

Editor and Publisher-    Muhammad Nurul Islam

Executive Editor-  Kazi Habibur Rahman.  Managing Editor -  Eng. Mohammed Nazim Uddin
Head Office: Paris, State: Île-de-France
Dhaka office : House No-421 (1st Floor), Road No- 30, New DOHS, Mohakhali, Dhaka. Bangladesh.

Email: editor.eurobarta@gmail.com.

www.eurobarta.com সকল অধিকার সংরক্ষিত 

অফিস :