এ পর্যন্ত অবৈধ মজুদকৃত ৫ লক্ষ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার হয়েছে- টুকু

আপলোড সময় : ১৯-০৪-২০২৬ , আপডেট সময় : ১৯-০৪-২০২৬
অসাধু ব্যবসায়ীদের তেল মজুদের কারণে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এ সময় অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন।

প্রশ্নে মাছুম মোস্তফা (১৬১ নেত্রকোণা-৫) বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, যে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ বিপরীত।
জ্বালানি পাম্পগুলোতে হরহামেশা বলা হচ্ছে তেল নেই। অনেক পাম্পে গ্রাহকদের ২০০ টাকার বেশি ফুয়েল দেওয়া হচ্ছে না।
অনেক সময় মোটরসাইকেলে রং লাগিয়ে চিহ্ন দেওয়া হচ্ছে, যেন কেউ একাধিকবার তেল নিতে না পারে। জ্বালানির সংকট যদি না থাকে তবে কৃত্রিম সংকট কারা তৈরি করেছে? এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা কারা? এই অবৈধ সিন্ডিকেট ঠেকাতে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই।
সরকার গত বছরের ২০২৫ সালের মার্চ মাসে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করেছে, মার্চ ২০২৬ মাসে একই পরিমাণ তেল সরবরাহ করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক অবৈধভাবে জ্বালানি তেলের মজুদ ও কালোবাজারি করছে। ফলে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম তেল সংকট তৈরি হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন হতে মোটরবাইকে ২০০ টাকার ফুয়েল প্রদান বা রং লাগানোর বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। প্যানিক বাইং ও মজুদ প্রবণতার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা, উপজেলা প্রশাসন ও বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, প্রতিদিন অবৈধ মজুদদারকে আইনের আওতায় এনে জেল জরিমানা করা হচ্ছে। মজুদ ও কালোবাজারি প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত আছে। এছাড়া, স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ পর্যন্ত ৯ হাজার ১১৬টি অভিযানে ৩ হাজার ৫১০টি মামলা হয়েছে, ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ০৯ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় হয়েছে এবং ৫ লক্ষ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার হয়েছে।

তিনি বলেন, ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিপণনে অধিকতর স্বচ্ছতা আনতে সরকার ঢাকা মহানগরীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল কার্ড চালু করেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সফল হলে সারা দেশব্যাপী তা বাস্তবায়ন করা হবে। ফুয়েল কার্ডে গ্রাহকদের জ্বালানি তেল সংগ্রহের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। 

সম্পাদকীয় :

Editor and Publisher-    Muhammad Nurul Islam

Executive Editor-  Kazi Habibur Rahman.  Managing Editor -  Eng. Mohammed Nazim Uddin
Head Office: Paris, State: Île-de-France
Dhaka office : House No-421 (1st Floor), Road No- 30, New DOHS, Mohakhali, Dhaka. Bangladesh.

Email: editor.eurobarta@gmail.com.

www.eurobarta.com সকল অধিকার সংরক্ষিত 

অফিস :