ইতালিতে সম্প্রতি আলোড়ন সৃষ্টি করা পরকীয়া ঘটনায় শেষ পর্যন্ত মামলা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশি নারীর সংসার ভাঙার উপক্রম এবং ক্রমাগত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে প্রেমিক অপি শেখ গনি (২৭) নামক এক বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে ওই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ইতালির গোরিৎসিয়া (Gorizia) প্রদেশের মনফালকোনে পুলিশ স্টেশনে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগী নারী এই অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত অপি শেখ গনি ওই নারীকে দীর্ঘ দিন ধরে বিয়ের প্রলোভন এবং ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী নারী তিন সন্তানের জননী। তিনি জানান, অভিযুক্ত যুবক তাকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন এবং পরবর্তীতে সামাজিক মর্যাদাহানির ভয় দেখিয়ে তাকে জিম্মি করে রাখেন।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে এবং কোনো সামাজিক সমাধান না হওয়ায়, ভুক্তভোগী নারী ইতালীয় পুলিশের (Polizia di Stato) দ্বারস্থ হন।
পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি অভিযুক্তের নাম 'গনি অপি শেখ' (Goni Opishek) হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনার তারিখ ও প্রমাণ দাখিল করেছেন।
ইতালির পুলিশ এই অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
ইতালির আইন অনুযায়ী, ব্ল্যাকমেইল এবং জোরপূর্বক সম্পর্কের অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির দীর্ঘমেয়াদী জেল ও দেশান্তরের (Deportation) মত সম্ভাবনাও রয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ইতালির গোরিৎসিয়া (Gorizia) প্রদেশের মনফালকোনে পুলিশ স্টেশনে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগী নারী এই অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত অপি শেখ গনি ওই নারীকে দীর্ঘ দিন ধরে বিয়ের প্রলোভন এবং ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী নারী তিন সন্তানের জননী। তিনি জানান, অভিযুক্ত যুবক তাকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন এবং পরবর্তীতে সামাজিক মর্যাদাহানির ভয় দেখিয়ে তাকে জিম্মি করে রাখেন।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে এবং কোনো সামাজিক সমাধান না হওয়ায়, ভুক্তভোগী নারী ইতালীয় পুলিশের (Polizia di Stato) দ্বারস্থ হন।
পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি অভিযুক্তের নাম 'গনি অপি শেখ' (Goni Opishek) হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনার তারিখ ও প্রমাণ দাখিল করেছেন।
ইতালির পুলিশ এই অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
ইতালির আইন অনুযায়ী, ব্ল্যাকমেইল এবং জোরপূর্বক সম্পর্কের অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির দীর্ঘমেয়াদী জেল ও দেশান্তরের (Deportation) মত সম্ভাবনাও রয়েছে।